বাংলাদেশ–ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ম্যাচে বজায় থাকল ‘নো হ্যান্ডশেক’ সিদ্ধান্ত

Share বাংলাদেশ–ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ম্যাচে বজায় থাকল ‘নো হ্যান্ডশেক’ সিদ্ধান্ত

অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বহুল আলোচিত ম্যাচেও বজায় থাকল ‘নো হ্যান্ডশেক’ সিদ্ধান্ত। ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রচলিত হাত মেলানোর দৃশ্য দেখা যায়নি, যা দর্শক ও ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

আয়োজক ও দল সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে খেলোয়াড়দের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা এড়াতে এই সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। মাঠে খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ে বাড়তি সতর্কতার অংশ হিসেবেই ‘নো হ্যান্ডশেক’ নীতি কার্যকর করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এর আগেও অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ের কয়েকটি ম্যাচে মাঠের উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডার ঘটনা আলোচনায় আসে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কর্তৃপক্ষ খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ম্যাচ পরবর্তী পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা যায়।

বাংলাদেশ–ভারত ম্যাচটি ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। মাঠে দুই দলের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে ছিল আগ্রাসী মনোভাব, তবে বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ম্যাচ শেষ হয়। ম্যাচ শেষে হ্যান্ডশেক না থাকলেও উভয় দলই নির্ধারিত নিয়ম মেনে মাঠ ত্যাগ করে।

ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, তরুণ পর্যায়ের ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের মানসিক প্রস্তুতি ও শৃঙ্খলা গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন সিদ্ধান্ত সাময়িকভাবে ব্যতিক্রম মনে হলেও, দীর্ঘমেয়াদে এটি খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।

তবে অনেক দর্শকের মতে, ক্রিকেটের সৌহার্দ্য ও খেলোয়াড়সুলভ আচরণের প্রতীক হিসেবে হ্যান্ডশেক গুরুত্বপূর্ণ। তারা আশা করছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ভবিষ্যতে আবারও মাঠে ফিরবে এই চিরাচরিত প্রথা।

সব মিলিয়ে, বাংলাদেশ–ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ ম্যাচে ‘নো হ্যান্ডশেক’ সিদ্ধান্ত বিশ্বকাপের আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হয়ে উঠেছে, যা তরুণ ক্রিকেটারদের শৃঙ্খলা ও মাঠের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে নতুন বার্তা দিচ্ছে।

© 2016-2026 | 24 online newspaper All rights reserved.
24 online newspaper logo