চার বছরের নীচে ডলারের দর, ট্রাম্প বলেছেন “দারুণ অবস্থায়”
Share
মার্কিন ডলারের মূল্য চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য এক চাঞ্চল্যকর খবর। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডলারের এই পতনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
সাম্প্রতিক এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “ডলারের বর্তমান মূল্য দারুণ। আমি চাই এটি তার স্বাভাবিক স্তরে ফিরে আসুক।” তাঁর এই মন্তব্য ডলারের সূচক (Dollar Index) আরও নিম্নমুখী করেছে।
শক ফ্যাক্টর: ছয়টি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে ডলারের শক্তি পরিমাপকারী সূচক ৯৫.৫৬৬-এ নেমেছে, যা ফেব্রুয়ারি ২০২২-এর পর সর্বনিম্ন।
দুর্বল ডলারের প্রভাব
ডলারের পতন কেবল শেয়ারবাজার নয়, যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানিকারকদের জন্যও সুবিধা এনে দিতে পারে। ট্রাম্প বলেন, “আমি চাই না, ডলারের মূল্য আরও কমে যাক। তবে এটি রপ্তানিতে সহায়ক হতে পারে।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ডলারের এই দুর্বলতা মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের জন্য একটি কৌশলগত সুবিধা তৈরি করতে পারে। কারণ শক্তিশালী ডলার বিদেশে মার্কিন পণ্যকে তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল করে, আর দুর্বল ডলার রপ্তানিকে সহজতর করে।
কেন কমেছে ডলারের মূল্য?
ডলারের সাম্প্রতিক পতনের পেছনে কয়েকটি মূল কারণ রয়েছে:
-
ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর প্রত্যাশা
-
শুল্ক (ট্যারিফ) সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা
-
নীতিগত অস্থিরতা, যার মধ্যে ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতার ওপর সম্ভাব্য হুমকি
-
বৃদ্ধিপ্রাপ্ত রাজস্ব ঘাটতি
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সমস্ত কারণ একত্রে ডলারের পতনকে ত্বরান্বিত করেছে এবং বিশ্ব বাজারে অর্থনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করছে।
ট্রাম্পের মনোভাব
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভাষণে প্রধান লক্ষ্য গ্রামীণ ভোটব্যাংককে সক্রিয় করা। ডলারের পতন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, “ডলারের মূল্য এখনই অত্যন্ত ভালো অবস্থানে রয়েছে। আমাদের উচিত এটিকে স্বাভাবিক স্তরে ফিরে আসতে দেওয়া।”
হাইলাইট:
চার বছরের মধ্যে ডলারের সর্বনিম্ন দর।
ট্রাম্পের মন্তব্যে সূচক আরও পতিত।
রপ্তানিকারকরা উপকৃত হতে পারে।
ফেডের সুদের হার, শুল্ক ও নীতিগত অস্থিরতা ডলারের পতনের প্রধান কারণ।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি মার্কিন অর্থনীতি ও বিশ্ববাজারের জন্য চ্যালেঞ্জ হলেও, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের কৌশলগত সুবিধা হিসেবে কাজ করতে পারে।
