মোদির আমন্ত্রণ তারেক রহমানকে: ভারত সফরে পরিবারসহ বিশেষ আহ্বান

Share মোদির আমন্ত্রণ তারেক রহমানকে: ভারত সফরে পরিবারসহ বিশেষ আহ্বান

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সদ্যসমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর পাঠানো এক অভিনন্দনবার্তায় মোদি তাঁর আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। চিঠিতে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমান-এর কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পাঠানো ওই চিঠিতে মোদি লেখেন, “ভারতে আপনাকে আন্তরিক স্বাগত জানাতে আমরা প্রস্তুত।” তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয় এবং তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণকে বাংলাদেশের জনগণের আস্থা ও সমর্থনের প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে নতুন দায়িত্ব পালনে তাঁর সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করেন।

চিঠিতে মোদি বলেন, এই বিজয় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার যে ভিশন তুলে ধরা হয়েছে, তার প্রতি জনগণের দৃঢ় সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ। তিনি উল্লেখ করেন, দুই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘ ইতিহাস, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং পারস্পরিক উন্নয়ন-আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে।

দুই দেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের মিল ভবিষ্যৎ সহযোগিতাকে আরও গতিশীল করবে বলেও মত দেন মোদি। তিনি বিশেষভাবে সংযোগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, প্রযুক্তি খাতের সহযোগিতা, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা এবং জনগণের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মোদি আরও বলেন, দ্রুত বর্ধনশীল দুটি অর্থনীতি হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশ একে অপরের টেকসই প্রবৃদ্ধির অনুঘটক হতে পারে। পারস্পরিক নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় যৌথভাবে কাজ করার মধ্য দিয়ে দুই দেশই উপকৃত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চিঠির শেষাংশে তিনি তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশের জনগণের অব্যাহত অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আমন্ত্রণ দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত বহন করছে। নতুন সরকারের অধীনে আঞ্চলিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও বিস্তৃত হতে পারে—এমন প্রত্যাশাই এখন দুই দেশের নীতিনির্ধারকদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

© 2016-2026 | 24 online newspaper All rights reserved.
24 online newspaper logo