রাফসান-জেফারের বিয়ে নিয়ে বিতর্ক, সাবেক স্ত্রী এশার স্পষ্ট বার্তা: ‘নেতিবাচকতা ছড়াতে চাই না’
Share
নেট দুনিয়ায় রাফসান ও জেফারের বিয়েতে যেমন শুভেচ্ছার বার্তা এসেছে, তেমনি একাংশের তির্যক ও নেতিবাচক মন্তব্যও চোখে পড়েছে। এদিকে প্রকাশ্যে না থাকলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন রাফসানের সাবেক স্ত্রী, চিকিৎসক সানিয়া শামসুন এশা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর প্রতি সমবেদনা জানাতে শুরু করেন বহু নেটিজেন। বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে, কারণ রাফসান-জেফারের বিয়ের দিনই ছিল এশার জন্মদিন।
নেটিজেনদের একাংশের দাবি, এশার সঙ্গে সম্পর্কে থাকার সময়ই রাফসান ও জেফারের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে এই সম্পর্ক ও বিয়ে নিয়ে শুরু থেকেই প্রকাশ্যে খুব বেশি মন্তব্য করেননি এশা। বিয়ের পর তিনি শুধু একটি সংক্ষিপ্ত স্ট্যাটাস দেন।
সম্প্রতি এ বিষয়ে গণমাধ্যমেও মুখ খুলেছেন এশা। দেশ টেলিভিশনের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, তাঁর জীবনের অতীতের একটি ঘটনা নতুন করে আলোচনায় চলে এসেছে, তবে তিনি আর অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা নিজের জীবনে টেনে আনতে চান না।
এশার ভাষায়, “আমি আমার জীবন নিজের মতো করে গড়ে তুলছি এবং ইতিবাচক বিষয়গুলো মানুষের সামনে তুলে ধরতে চাই। মানুষকে অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করছি। কিন্তু অকারণে যখন এসব প্রসঙ্গ সামনে আসে, তখন বিরক্তি লাগে। অনেকেই আমার কাছ থেকে একটি বক্তব্য আশা করেন, কিন্তু এই বিষয়ে আমি কোনো নেতিবাচকতা ছড়াতে চাই না।” তিনি আরও জানান, যেহেতু আগে এ নিয়ে কথা বলেননি, তাই এখনো বিস্তারিত মন্তব্য করার জন্য নিজেকে প্রস্তুত মনে করছেন না। এই কথাগুলোই তিনি তাঁর দীর্ঘ পোস্টে বোঝাতে চেয়েছেন।
এশা আরও বলেন, “যেটা সত্যি, সেটা সবাই জানে। আমি কৃতজ্ঞ যে মানুষ হয়তো আমাকে কাছ থেকে চেনে না, তবু তারা সঠিক বিষয়টি বুঝতে পেরেছে এবং আমার হয়ে অনেকেই কথা বলেছেন।”
এর আগে রাফসান-জেফারের বিয়ের দুই দিন পর ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে এশা লিখেছিলেন, “বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষই জানে এখন কী ঘটছে এবং সত্যটা কী। এ বিষয়ে আমার আর বেশি কিছু বলার প্রয়োজন নেই।” জীবনের এই পর্যায়ে এসে তিনি আর কারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভাবতে বা জড়াতে চান না বলেও উল্লেখ করেন।
দীর্ঘ স্ট্যাটাসের শেষাংশে অনুরাগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এশা লেখেন, “আমি নিজের জন্য এমন কিছু গড়ে তুলতে চাই, যা কঠিন সময়ে আমাকে ছেড়ে যাবে না বা কোনো বিপর্যয়ে আমাকে অসহায় করবে না। আমি আর আমার অতীত পরিচয় বহন করতে চাই না। আমার পরিচয় হোক শুধু একটাই—ডা. এশা।”
