মির্জা আব্বাসকে নিয়ে ‘মানহানিকর বক্তব্য’ অভিযোগে এনসিপি সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা
Share
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে পরিচিত রাজনীতিবিদ Mirza Abbas-কে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে Nasir Uddin Patwari-র বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন গ্রহণ করেছেন আদালত। মামলাটি দায়ের করা হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র এই মুখ্য সমন্বয়কের বিরুদ্ধে।
রোববার (৮ মার্চ) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট Md. Hasan Shahadat-এর আদালতে মামলার আবেদন করেন রমনা থানা বিএনপির বর্তমান সভাপতি Md. Ashraful Islam। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযুক্ত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী Md. Amirul Islam Amir বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে আদালতে মামলার আবেদন জমা দেওয়ার পর শুনানি শেষে বিচারক আবেদনটি আমলে নেন এবং আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
মামলার আবেদনে বলা হয়, গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন এবং সেখানে তিনি মির্জা আব্বাসের কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত হন। নির্বাচনের সময় থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে মির্জা আব্বাসকে লক্ষ্য করে অসত্য, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীপক্ষ দাবি করেছে, নির্বাচনে পরাজয়ের পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আরও বেশি করে বক্তব্য দিতে শুরু করেন, যেখানে মির্জা আব্বাসকে নিয়ে নানা অভিযোগ ও কটূক্তি করা হয়েছে। এসব বক্তব্যের কারণে একজন জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সম্মানহানি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ৫ মার্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর একটি বক্তব্য বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। সেখানে মির্জা আব্বাসকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া একটি মন্তব্যকে অত্যন্ত আপত্তিকর ও মানহানিকর বলে দাবি করা হয়েছে। বাদীর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
বাদীপক্ষের মতে, এ ধরনের বক্তব্য শুধু ব্যক্তিগতভাবে মির্জা আব্বাসের সম্মান ক্ষুণ্ন করেনি, বরং তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সুনাম ও ভাবমূর্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। অভিযোগে বলা হয়, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এবং পরিকল্পিতভাবে এসব বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সভ্যতার সীমা লঙ্ঘন করেছে।
এদিকে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এগিয়ে যাবে। সমন জারির মাধ্যমে আদালতে হাজির হয়ে অভিযুক্তকে অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
